রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
নাসিরনগরে বিএনপির নিবেদিত প্রাণ শ্যামল মল্লিক আর নেই নড়াইলের কালিয়া থানা পুলিশের অভিযান চাঁদাবাজি মামলার আসামি আমিন সরদার গ্রেপ্তার মৌলভীবাজারে মাওলানা আব্দুল আজিজ (রহ.) এর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত পুনরায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষক স্বীকৃতি–২০২৬ পেলেন কাটগড় রাজাপুকুর দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম দিনাজপুর-০২ আসনে ধানের শীষের প্রচারণায় ছাত্রদলের সমন্বয়কের দায়িত্ব পেলেন তাইয়েবুল ইসলাম নেত্রকোণা- ৪ প্রার্থীতা প্রত্যাহার করলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী তাহমিনা বীরগঞ্জে গলা কে*টে হ*ত্যা মামলায় বড় অগ্রগতি, র‍্যাবের অভিযানে খুলনা থেকে আসামি গ্রেফতার। গৌরীপুরে সেবানীড় ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শীতবস্ত্র উপহার পেল পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী মৌলভীবাজারে বৃটেন প্রবাসী আজাদ হুসাইনের অর্থায়নে অসহায়দের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় প্রতিবন্ধী স্কুলের ২৮০কেজি বই বিক্রির অভিযোগ

সাইফ উল্লাহ, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি::
  • আপডেটের সময়: রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৩৫৬ সময় দেখুন

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় প্রতিবন্ধী স্কুলের ২৮০কেজি বই বিক্রির অভিযোগ

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার ধর্মপাশা প্রতিবন্ধী স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. টিটু মিয়া ও সহকারী শিক্ষিকা সীমা আক্তারের বিরুদ্ধে ২৮০ কেজি সরকারি পুরোনো বই বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলার দুধবহর গ্রামের বাসিন্দা আরিফ (৩৫) নামের এক ব্যক্তি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এলাকাবাসী, বই ক্রেতা ও স্কুল সূত্রে জানাযায়, ধর্মপাশা প্রতিবন্ধী স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. টিটু মিয়া গত বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে প্রতি কেজি পুরোনো বই ১৩টাকা দামে উপজেলার নোয়াবন্দ গ্রামের কিতাব আলীর (৬৫) কাছে বিক্রি করেন। ওইদিন বেলা ১টার দিকে ওই স্কুলটির সহকারী শিক্ষক সীমা আক্তারের কাছ থেকে ২৮০ কেজি এসব পুরোনো বই মেপে বুঝে নেনে ওই বই বিক্রেতা। ওইদিন বেলা ২টার দিকে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়টির সামনের সড়কে ভ্যানগাড়ি ভর্তি প্লাস্টিকের বস্তায় মুড়ানো বই দেখে স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে তারা ভ্যানগাড়ি ভর্তি সরকারি বইগুলো উদ্ধার করেন। এ বিষয়ে ধর্মপাশা প্রতিবন্ধী স্কুলের সহকারী শিক্ষক সীমা আক্তারের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান হুম আমরা বিক্রি করেছি তবে এগুলো পুরাতন বই। তবে প্রধান শিক্ষক মো. টিটু মিয়া দাবি করেন, পুরোনো বইগুলো থাকার কারণে স্কুলের অফিস রুমের ভেতরের পরিবেশটা খারাপ হয়ে গিয়েছিল। তাই বইগুলো বিক্রি করা হয়েছিল। তিনি বলেন, আমরা যে ভুলটা করেছি সেটি হলো ইউএনও স্যারকে বই বিক্রির বিষয়টি অবগত করিনি। সমাজ সেবা কর্মকর্তা তৌফিক আহমেদ জানান তদন্ত প্রক্রিয়া দিন আছে সুস্থ তদন্তের ভিত্তিতে আসামিদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে। এলাকা বাসীর একটাই অভিমত প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষিকাকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূল শাস্তি দাবি করছি। এব্যাপারে ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনি রায় বলেন, তদন্ত কমিটিকে দায়িত্ব দিয়েছি রিপোর্ট আসার সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে। ##

সাইফ উল্লাহ
০১৭১২৪৫১৪৪৬
০৭/০৯/২০২৫ইং

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © ২০২৫ হেমন্ত কাল
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD