বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ধর্মপাশা উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরুলের পথ সভা আদালতের জামিননামা ছাড়াই হত্যা মামলার তিন আসামির মুক্তি, তদন্ত কমিটি গঠন ধর্মপাশা উপজেলার জয়শ্রী বাজারে বিএনপির নির্বাচনী পথ সভায়- প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরুল ময়মনসিংহে জনসমুদ্র: ঐতিহাসিক সার্কিট হাউস মাঠে তারেক রহমান নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও সহযোগিতা নিশ্চিত করতে ইসির বিশেষ বার্তা ঘোড়ার গাড়িতে প্রধান শিক্ষকের রাজকীয় বিদায় তারেক রহমানের সফর সফল করতে প্রস্তুত ময়মনসিংহ, প্রেসক্লাবে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন নড়াইলের নবগঙ্গা নদীর ওপর সেতু: দেড় বছরের কাজ আট বছরেও শেষ হয়নি ভোলাহাট সীমান্তে মধ্যরাতে ৫৯ বিজিবি’র অভিযান বিপুল পরিমাণ ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ আটক নড়াইলে কৃষকেরা বোরো ধান রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছে

ভূয়া ওয়ারিশ সনদ তৈরি করে ১ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ আত্মসাতের অভিযোগ

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
  • আপডেটের সময়: শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৪৭ সময় দেখুন

ময়মনসিংহে সরকারি ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। চর ঈশ্বরদিয়া মৌজায় ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত একটি মামলায় ভূয়া ওয়ারিশ সনদ তৈরি করে প্রায় এক কোটি তেইশ লক্ষ চৌদ্দ হাজার পাঁচশত বার টাকা উনষাট্ট পয়সা (৳১,২৩,১৪,৫১২.৫৯) আত্মসাৎ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় মোঃ শফিকুল ইসলাম (৪৪) ও মোঃ রোকন উদ্দিন (৪০) সহ অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী মডেল থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, এল.এ. কেস নং-০৪/২০২২-২০২৩ মূলে কোতোয়ালী থানাধীন চর ঈশ্বরদিয়া মৌজার বিআরএস খতিয়ান নং-৩২৮৩ এবং দাগ নং-৫৩৬৮ এর ০.২৫ একর ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়। উক্ত জমির ক্ষতিপূরণ বাবদ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে চেক নং ১০৬৬৪২৫ এর মাধ্যমে টাকা ইস্যু করা হয় ১নং বিবাদী মোঃ শফিকুল ইসলামের অনুকূলে।

কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, শফিকুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা ওয়ারিশ সনদের তথ্য গোপন করে ভূয়া একটি ওয়ারিশ সনদ তৈরি করেন। ওই ভূয়া সনদটি (নং এমসিসি/প্রশা/সাধা/১৮/০১/২০২৩/২৫৩, তারিখ ১৯ জানুয়ারি ২০২৩) ব্যবহার করে অন্যের নামে থাকা দলিল নং ৭২৩৫ নিজেদের নামে দেখিয়ে সরকারি ক্ষতিপূরণের টাকা উত্তোলন করেন।

ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা বিষয়টি জানতে পেরে এককভাবে ক্ষতিপূরণের টাকা প্রদানের বিষয়ে আপত্তি জানান এবং লিখিতভাবে বিষয়টি তদন্তের জন্য আবেদন করেন। পরবর্তীতে গত ১৬ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে প্রমাণিত হয় যে, অভিযুক্তরা জাল দলিল ও ভূয়া তথ্য ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ করেছেন

অভিযোগকারী জানিয়েছেন, ঘটনাটির ব্যাংক লেনদেনের কাগজপত্র ও সাক্ষী প্রমাণ রয়েছে, যা তদন্তে উপস্থাপন করা হবে।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © ২০২৫ হেমন্ত কাল
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD