বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ধর্মপাশা উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরুলের পথ সভা আদালতের জামিননামা ছাড়াই হত্যা মামলার তিন আসামির মুক্তি, তদন্ত কমিটি গঠন ধর্মপাশা উপজেলার জয়শ্রী বাজারে বিএনপির নির্বাচনী পথ সভায়- প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরুল ময়মনসিংহে জনসমুদ্র: ঐতিহাসিক সার্কিট হাউস মাঠে তারেক রহমান নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও সহযোগিতা নিশ্চিত করতে ইসির বিশেষ বার্তা ঘোড়ার গাড়িতে প্রধান শিক্ষকের রাজকীয় বিদায় তারেক রহমানের সফর সফল করতে প্রস্তুত ময়মনসিংহ, প্রেসক্লাবে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন নড়াইলের নবগঙ্গা নদীর ওপর সেতু: দেড় বছরের কাজ আট বছরেও শেষ হয়নি ভোলাহাট সীমান্তে মধ্যরাতে ৫৯ বিজিবি’র অভিযান বিপুল পরিমাণ ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ আটক নড়াইলে কৃষকেরা বোরো ধান রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছে

ময়মনসিংহ মেডিকেল ঈদের ছুটিতে কেলেঙ্কারি ফাঁস ওয়ার্ডবয় আটক

গোলাম কিবরিয়া পলাশ, ময়মনসিংহঃ
  • আপডেটের সময়: সোমবার, ৯ জুন, ২০২৫
  • ৩৮০ সময় দেখুন
ময়মনসিংহ মেডিকেল ঈদের ছুটিতে কেলেঙ্কারি ফাঁস ওয়ার্ডবয় আটক
ময়মনসিংহ মেডিকেল ঈদের ছুটিতে কেলেঙ্কারি ফাঁস ওয়ার্ডবয় আটক

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ঈদের ছুটির দিন ঘটে যায় অবিশ্বাস্য এক ঘটনা, চিকিৎসক না থাকায় এক প্রতারক ওয়ার্ডবয়ের ছদ্মবেশে রোগীর হাতে সেলাই ও ড্রেসিং করেন, পরে হাতেনাতে ধরা পড়েন তিনি।

ঘটনাটি ঘটে শনিবার রাত সোয়া ৮টার দিকে, গাজীপুরের বাসিন্দা সোহেল মিয়া নামের এক আহত রোগীর আঙুলে সেলাই করতে গিয়ে ধরা পড়েন আলমগীর হোসেন নামের এই ব্যক্তি, তার পরনে ছিল সাধারণ ওয়ার্ডবয়ের পোশাক, হাতে ছিল না কোনো গ্লাভস, ঘটনার সময় হাসপাতালের জরুরি ইউনিটে কোনো চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন না।

পরবর্তীতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে প্রতারককে আটক করে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করে, এ ঘটনায় ওয়ার্ড মাস্টার জীবন চন্দ্র বাদী হয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন, আদালতের নির্দেশে অভিযুক্ত আলমগীরকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: ফিরোজ হোসেন জানান, আলমগীর দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণার মাধ্যমে হাসপাতালের ড্রেসিংরুমে কাজ করে আসছিলেন, তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. মাইনুদ্দীন খান জানান, কীভাবে ওই ব্যক্তি ওয়ার্ডবয়ের ছদ্মবেশে গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ডে কাজ করছিল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে, তদন্ত শেষে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই ঘটনা হাসপাতালের নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার চরম দুর্বলতা এবং ঈদের ছুটিতে জরুরি চিকিৎসাসেবা অনুপলব্ধতার একটি বড় উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে, এখনো পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কিংবা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়ে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © ২০২৫ হেমন্ত কাল
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD